Wednesday, May 9, 2018

টি কে ডাক্তারবাবু

ডাঃ টি কে দাশগুপ্ত| এই নামেই ওনাকে জানতাম| প্রায় চল্লিশ বছর পরে জেনেছিলাম ওনার পুরো নাম| উনিই ছিলেন আমাদের গৃহ চিকিৎসক| যদিও আমাদের গৃহে ওনাকে কখনো আসতে হয় নি| তবে নতুন পল্লীর দিকে গেলে, ওনার সুবিশাল গৃহটি বাইরে থেকে দেখেছি| সেটা দেখে আমার মনে হয়েছিল যে ওনার ডাক্তারি করাটা স্রেফ সময় কাটানো বা শখ মেটানোর জন্য| অর্থের প্রয়োজন তেমন আর নেই| ওনার অন্য একটা পরিচয়ও  ছিল, যা তখন জানতাম না| সেকথা পরে লিখছি।

সেযুগে সবাইকে বছরে একবার বসন্তের টিকে নিতে হত| বাড়ি বাড়ি লোক এসে সেই যন্ত্রণা দিয়ে যেত|আমাদের ধারণা ছিল, টি কে ডাক্তারবাবু, ডাক্তার হবার আগে বোধয় টিকে দেবার কাজ করতেন - তাই ওই নাম|

চেম্বার টা ছিল বেতাইতলা বাজারের কাছে| ঝর্না  সিনেমার উল্টোদিক বরাবর| আশেপাশে আরো দু একটা দোকান ছিল - কিসের দোকান - সেসব আজ আর মনে নেই| শুধু মনে আছে, কেশায়নী  নামে একটা সেলুন ছিল আর একটা ডেকরেটরের অফিস ছিল কাছাকাছি| ঠিক উল্টোদিকে ছিল একটা ঘড়ি সারাই এর দোকান| মালিকের নাম দেববাবু| এসব সেই সত্তর দশকের কাহিনী|
চেম্বার বলতে মেন রাস্তার ওপরে একটা ১০ ফিট বাই ১০ ফিট ঘর| সামনেই ডানদিকে একটা মাঝারি কাঠের টেবিল| পেছন দিকটায় ডাক্তারবাবুর চেয়ার আর সামনে দুটো চেয়ার - একটা রুগীর আর অন্যটা রুগীর সঙ্গীর| ঘরের দু পাশে দুটো কাঠের বেঞ্চ পাতা - একদম সস্তার স্কুলে যেরকম বেঞ্চ হয় - তেমনি| ঘরটার সামনের বারান্দাতেও দুটো বেঞ্চ পাতা থাকত - রুগী বেশি হলে তারা সেখানে বসে বসে রাস্তার ধুলো শুঁকত| ডাক্তারবাবুর বসার জায়গার ঠিক পেছনেই ছিল দুটো কাঠের আলমারি - তাতে নানান ওষুধ ঠাসা| এই আলমারিগুলোর  পেছনে ছিল ওনার কাজের জায়গা - সেখানে উনি খলনুড়ি দিয়ে কিসব গুঁড়ো  করে তার মধ্যে নানান রঙিন তরল পদার্থ ঢেলে অখাদ্য সব মিক্সচার বানাতেন| সেসময় ঠুং  ঠাং করে নানারকম অওয়াজ পাওয়া যেত| তারপর একটা কাঁচের শিশিতে সেই মিক্সচার ঢেলে, বাইরে একটা কাগজের খাঁজকাটা ফালি লাগিয়ে নিয়ে আসতেন| আমরা জানতাম ওসব হলো দাগ দেওয়া ওষুধ| কখন ক'দাগ খেতে হবে সব উনি বলে দিতেন|  আমরাও বাড়িতে কাগজ কেটে ঐরকম 'দাগ' বানাতে শিখেছিলাম| আর এই ল্যাবরেটরির পাশেই একফালি জায়গা পার্টিশন করা ছিল - সেখানে রুগীদের পরীক্ষা নিরীক্ষা করতেন|
ওনার ফী ছিল ২ টাকা| সেযুগের হিসেবেও হয়ত খুব -ই সস্তা| অবশ্য ওষুধের দাম আলাদা দিতে হত|
ভালই ভিড় হত| গরিব মানুষই বেশি| তাদের থেকে আরো কম ফী নিতেন| তখন বুঝতাম না সেই গরিব মানুষগুলোর থেকে আমরাও  খুব একটা বেশি ধনী ছিলাম না| সেকালে ছোটরা পয়সা কড়ির ব্যাপারে তেমন খোঁজ খবর রাখত না সবাই| তবে ডাক্তারবাবু ধনী গরিব নির্বিশেষে, সকলকেই খুব যত্ন নিয়ে চিকিৎসা করতেন, সেটা খানিকটা বুঝতাম|
সকাল দশটা নাগাদ উনি সাইকেল চড়ে আসতেন| রাত্রের দিকেও চেম্বার খুলতেন একবার| একদম পাটভাঙ্গা একটা ফুলহাতা সাদা শার্ট আর স্লেট রঙের প্যান্ট ই ছিল বেশির ভাগ দিনের পোশাক| শার্ট এর হাতাটা কনুই অবধি গোটানো থাকত আর বুকপকেটে  থাকত একটা ভালো ফাউন্টেন পেন|  চশমা পরতেন কিনা মনে পড়ছে না| গলার কাছে কি একটা কন্ঠী দেখেছিলাম? সেটাও ঠিক মনে নেই| পায়ে থাকত বাদামী রঙের স্যান্ডেল| গ্রীষ্মের দিনে মাথায় একটা ফেল্ট হ্যাট| মাথার পেছন দিকে সামান্য পাকা চুল ছিল - বাকিটা টাক| হালকা সাদা গোঁফ| রোগা পাতলা চেহারা| হাইট -  মেরে কেটে সাড়ে পাঁচ ফিট|
উনি আসার আগেই ওনার হেল্পার এসে যেত| সে ডাক্তারখানা খুলে, ধুলো টুলো ঝেড়ে, ক্যালেন্ডারের দিনক্ষণ সব ঠিক করে রাখত| উনি এলেই সে গিয়ে ওনার সাইকেলটা বারান্দায় তুলে দিয়ে চাবি দিয়ে দিত|
ডাক্তারবাবুর  সঙ্গের ব্যাগ এ থাকত ওনার অস্ত্রশস্ত্র, অর্থাৎ  - প্রেসার মাপার যন্ত্র, স্টেথোস্কপ আর থার্মোমিটার| শেষের দুটো অস্ত্র উনি সব রুগীর ওপরেই  প্রয়োগ করতেন| তারপর চোখের নীচটা টেনে দেখতেন| ভেতরের ঘরে নিয়ে গিয়ে পেট পিঠ পরীক্ষা করতেন| জিভ বার করতে বলতেন| জিভ  ভেঙিয়ে ওনাকে কিছুতেই সন্তুষ্ট করা যেত না| কালী ঠাকুর এলেও বোধহয় উনি বলতেন "না না - আরো লম্বা করে বার  করে 'অ্যাঅ্যা' বল|"
এবার উনি বসতেন চিন্তা করতে| বোধহয় মনে মনে ভাবতেন কতটা বিস্বাদ ওষুধ এ ব্যাটা সহ্য করতে পারবে! সেই সময় উনি টেবিলের ওপর কনুই দুটো রেখে হাতের তালুদুটো দিয়ে কপালের দুপাশটা চেপে ধরতেন| চোখ বন্ধ থাকত| ঠোঁটের কোনে একটা মুচকি হাসি| ডান হাতের তর্জনী আর মধ্যমা দিয়ে নিজের টাকের ওপর একটু তবলা বাজাতেন| তারপর খসখস করে বহু ওষুধ লিখে ফেলতেন| এর মধ্যে মিক্সচার গুলো নিজেই বানিয়ে দিতেন সেকথা আগেই বলেছি|
কখনো তেমন রেগে যেতে দেখি নি। শুধু একদিন খুব রেগে গিয়েছিলেন ওই ঘড়ির দোকানের দেববাবুর ওপর| তখন দুপুর প্রায় ১২ টা হবে| আমার সর্দি কমছিল না বলে দেখাতে গিয়েছিলাম| অন্য রুগী ছিল, আমি বসে বসে রাস্তার বাস গুনছিলাম কিম্বা ঝর্না  সিনেমার পোস্টার দেখছিলাম| হঠাৎ দেববাবু রাস্তা পেরিয়ে এসে বেঞ্চে  বসে হাঁফাতে লাগলেন| "কি হলো মশাই" বলে ডাক্তারবাবু এগিয়ে গেলেন| দেববাবুর বক্তব্য বদহজম হয়ে গ্যাস হয়ে গেছে - শরীরটা ঠিক ভালো লাগছে না| প্রেসার পরীক্ষা হলো| তারপর নাড়ি দেখা, স্টেথোস্কোপ দিয়ে বুক পিঠ দেখা, চোখ টেনে টেনে দেখা এসমস্ত করে ডাক্তারবাবু বললেন "ভালো বুঝছি না| ছেলেকে বলুন দোকান বন্ধ করে আমার কাছে আসতে আর আপনি সাইকেল রেখে, একটা রিক্সা করে এক্ষুনি বাড়ি চলে যান|" দেবাবাবু  গাঁই গুঁই করতে লাগলেন "আরে  না না - একটু গ্যাস হয়ে গেছে..."| কথাটা শেষ করতে পারলেন না| ডাক্তারবাবুকে জীবনে প্রথমবার (এবং শেষবার) ক্ষেপে যেতে দেখলাম - "রাখুন মশাই আপনার গ্যাস| যা বলছি তাই করুন|" ওই একদিনই ওনাকে রাগে কাঁপতে দেখেছিলাম| দুদিন পর জানলাম, দেববাবুর হার্ট এটাক হয়েছিল| সম্ভবত এর কিছুদিন পরেই দেববাবু মারা যান|

অনেকটা বড় হবার পর ডাক্তারবাবুর  দ্বিতীয় পরিচয়টা জেনেছিলাম| উনি ছিলেন, স্বনামধন্য চিত্র পরিচালক বুদ্ধদেব দাশগুপ্তর বাবা| এই কিছুদিন আগে, বুদ্ধদেববাবুর একটা ইন্টারভিউ পড়তে পড়তে টি কে ডাক্তারবাবুর সম্বন্ধে আরো কিছু জানতে পারলাম| প্রথম দিকে উনি ছিলেন রেলের ডাক্তার| খড়গপুরে  অনেকদিন ছিলেন| তারপর নানা জানা অজানা জায়গায় পোস্টিং হয়| এমন জায়গাতেও ছিলেন, যেখানে রাতে বাঘ বেরোত| হাসপাতাল বলতে কিছুই ছিল না আর উনিই ছিলেন সর্বেসর্বা| স্থানীয় লোকজন ওনাকে ভালবাসত, শ্রদ্ধা করত|
মনে হয়, গ্রামের মানুষ তাদের শ্রদ্ধা ভালবাসা ঠিক জায়গাতেই দিয়েছিল| ভারী নিরহঙ্কার আর পরোপকারী মানুষ ছিলেন টি কে ডাক্তারবাবু| আমার মনের আকাশের একটি তারা| হ্যাঁ, ওনার পুরো নাম ছিল তারা কান্ত দাশগুপ্ত - যেটা আমি বুদ্ধদেববাবুর ইন্টারভিউ পড়ে কয়েকদিন আগেই  জানলাম|




Tuesday, May 8, 2018

ফ্ল্যাশব্যাক

মানুষ নাকি মৃত্যুর ঠিক আগে একটা ফ্ল্যাশব্যাক দেখে| কোথাও একথাটা পড়েছিলেন ভোলাবাবু| মৃত্যুর কয়েক মিনিট আগে শুরু হয় সিনেমাটা| একদম ছোটবেলা থেকে শেষ বয়েস পর্যন্ত প্রতিটি ঘটনাই ওপর ওপর দেখানো হয় সেই সিনেমাটাতে| কিছু কিছু প্রায় বিস্মৃত ঘটনাও দেখতে পাওয়া যায় একদম পরিষ্কার| তবে খুব তাড়াতাড়ি এসমস্ত ঘটে যায়| পাঁচ মিনিটের মধ্যে হয়ত পঞ্চাশ বছরের ফ্ল্যাশব্যাক দেখানো হয়| যদিও যে দেখে, তার মনেই হয় না যে এটা ফাস্ট ফরওয়ার্ড করে দেখানো হচ্ছে| সে সাধারণ বেগেই সমস্তকিছু দেখে| বোধহয় মনটা তখন খুব দ্রুতগামী হয়ে যায় তাই সেই ক্লাস নাইনের রিলেটিভ ভেলোসিটির অঙ্কগুলোর মতো সিনেমার বেগটা অপেক্ষিক ভাবে তেমন বেশি দেখায় না|

বিজ্ঞান এর কথা এখন থাক, কারণ ভোলাবাবু মরতে বসেছেন| দোষটা খানিকটা ওনার নিজেরই| বাড়ির লোকজন সব সিনেমা দেখতে গেছে| ওনার শরীরটা ভালো লাগছিল না বলে যান নি| বিছানায় শুয়ে শুয়ে  ডিসকভারি চ্যানেল দেখছিলেন| হাঁপানী রোগের ওপর কিছু একটা অনুষ্ঠান| ইনহেলার বেশি ব্যবহার করলে কি ঘটতে পারে - আফ্রিকার চিতাবাঘ গুলো দৌড়তে দৌড়তে হাঁপিয়ে গেলেও ওদের কেন  ইনহেলার এর প্রয়োজন হয় না - মাছেদের হাঁপানীকে কি বলে - এই সমস্ত| আসলে নিজে হাঁপানী রুগী বলে, দেখতে বেশ ভালই লাগছিল| হঠাৎ করেই কেমন যেন হাঁফ ধরে উঠলো| টিভিটা বন্ধ করে দিলেন| অভ্যাসবশত পাশের টেবিলটা হাতড়ালেন| নাঃ, ইনহেলারটা  ওখানে নেই|  হাঁপানীটা খুব তাড়াতাড়ি বাড়ছে| বালিশের নিচেও নেই| তবে কি মাটিতে পড়ে গেল? কিন্তু নিচেও তো দেখা যাচ্ছে না| ভোলাবাবুর দম বন্ধ হয়ে আসছে| কাউকে ফোন করেও লাভ নেই - অতটা সময় যে পাওয়া যাবে না সেটা  বেশ বুঝতে পারছেন| পাশের বাড়ির ঘোষেদের ফোন নম্বরটা রাখার কথা বলেছিলো সুমিত সেদিন| কেন যে গড়িমসি করে সেটা করতে ভুলে গেলেন - ভেবে নিজের ওপরেই রাগ হচ্ছিল| ছোটবেলা থেকেই ভুলে যাওয়ার এই ব্যামো ভোলাবাবুর| সেই জন্যই তো অনিকেত রায়চৌধুরীর ঠাকুমা ওনাকে ভোলা বলে ডাকা শুরু করেছিলেন| পরে  অবশ্য সবাই ওই নামেই ডাকত| মায় অফিস কলিগরা পর্যন্ত বি আর চৌধুরী বলেই ওনাকে জানত| ফাজিল একটা ছোকরা ওনাকে ভাল্লুকদা  বলত - বি আর থেকে বিয়ার আর তার থেকে ভাল্লুক|
আবার মনে করার চেষ্টা করলেন ইনহেলারটা কোথায়! এই তো এক  ঘন্টা আগেই পার্ক থেকে ঘুরে এলেন| এসেই সোজা নিজের ঘরে| আর কোত্থাও যান নি| টেবিলেই তো রাখার কথা| আরো একবার টেবিলটা দেখলেন| টেবিলের ড্রয়ারটা খুলেও হাঁটকালেন দুবার| ক্রমশ অসহ্য হয়ে উঠছে শ্বাসকষ্টটা|
ঠিক এই সময় শুরু হয়ে গেল ফ্ল্যাশব্যাক| ওই তো ছোট্ট ভোলা হাঁটবার চেষ্টা করছে| ওই তো পড়ে গিয়ে মাথা ফেটে গ্যালো| ইস, তখন যদি দেখতে পেতেন যে পেছনেই একটা তোষক পাতা ছিলো! এইবার ক্লাস ফোরের অঙ্ক পরীক্ষা| পেন্সিলএর শিষটা ভেঙ্গে গেল| এহে, কত সহজ একটা গসাগু ভুল করলেন ভোলাবাবু| ফ্লাশব্যাক এগিয়ে চলেছে| ভোলাবাবু মনে মনে হিসেব করলেন, শেষের দিকে উনি দেখতে পাবেন ইনহেলারটা কোথায় আছে| সঙ্গে সঙ্গে সেটা মুখে নিয়ে  আঙুলের চাপ দিতে হবে| দেরী করলেই অক্কা! আর শ্বাস নিতে পারছেন না উনি| একেই কি বলে রুদ্ধশ্বাস উত্তেজনা?
এখন ভোলাবাবুর কলেজের থার্ড ইয়ারের পরীক্ষাটা চলছে| পাশের ছেলের দেখে টোকবার সময় স্যার এসে চেপে ধরেছেন| ধুস, দরজার দিকটা একবার দেখে নেওয়া উচিত ছিল| ভোলাবাবু অফিস এ লেট মার্ক হলেন - আগের বাসটা না ছাড়লেই হত! এখন আর এসব দেখে কি লাভ! মন দিয়ে কিছুই আর দেখছেন না উনি| এই সময় সুস্থ থাকলে হয়ত একটা দীর্ঘশ্বাস পড়ত| কিন্ত যা অবস্থা, হ্রস্ব  বা দীর্ঘ কোনো শ্বাসই আর বেরোচ্ছে না| ক্রমশ সিনেমাটা শেষ হয়ে আসছে| ভোলাবাবুও শেষ হয়ে আসছেন| ভোলাবাবু পার্কে যাবার সময় টেবিল থেকে ইনহেলারটা তুলে পকেটে  ভরলেন| এবার ভোলাবাবু পার্ক থেকে বাড়ি ফিরলেন| সোজা বিছানায়| জামাকাপড় বদলান নি - সেই প্যান্ট আর ফতুয়া| অর্থাৎ পকেটেই আছে ওটা| ফতুয়ার ডান পকেটে দেখলেন, নেই| ভোলাবাবুর সিনেমা প্রায় শেষ| মৃত্যুর আর মাত্র কয়েক সেকেন্ড বাকি| অতি কষ্টে প্যান্টের ডান পকেটে হাত ঢোকালেন| সেখানে শুধুই রুমালটা| খুব রাগ হলো নিজের ওপর| এই তো, একটু আগেই দেখাচ্ছিল উনি ওটা পকেটে ভরছেন| তখন যদি একটু মন দিয়ে দেখতেন, তাহলেই ঝামেলা মিটে যেত|  সিনেমা শেষ|
রাত্রে বাড়ির লোকজন দরজা ভেঙ্গে ঢুকে দেখল ভোলাবাবু বাঁ হাতটা প্যান্টের বাঁদিকের পকেটে ঢুকিয়ে দেহত্যাগ করেছেন| ফতুয়ার বাঁ পকেট থেকে ইনহেলারটা পাওয়া গিয়েছিল|

রাজনীতির ধাক্কা

রাজনীতি নিয়ে    আমার জ্ঞান ছিল খুবই সামান্য।    এবং আজ যে সেটা কিছু মাত্র বেড়েছে সে দাবি আমি করি না।ছাত্র-ছাত্রীদের রাজনৈতিক চেতনা থাকা ভা...