Sunday, May 31, 2020

স্বপনবাবুর স্বপ্ন


প্রফেসর স্বপন সাহাপি এইচ ডিডি এস সিএফ এন এ , এফ আর এস ইত্যাদি প্রভৃতি। স্রেফ ডিগ্রিগুলোর জন্য  ওরকম পেল্লায় সাইজের একটা নেমপ্লেট বানাতে ছুতোর মিস্ত্রি ডাকতে হয়েছিল। অঙ্কমেডিকেল সায়েন্স আর সাইকলজিতিনটে  বিষয়েই অগাধ পাণ্ডিত্য ভদ্রলোকের। সারা বছর এদেশ ওদেশ করে ইউনিভার্সিটি গুলোতে লেকচার দিয়ে বেড়ান। শ্যাওড়াফুলিতে আর কটা দিনই বা থাকা হয়। যখন থাকেন তখন ওনার দুটো মাত্র কাজ। প্রথমটা হল স্টেশনের সামনের পোনা ময়রার দোকান থেকে এক ঠোঙা কচুরি  কিনে নিয়ে গঙ্গার ধারে বসে খাওয়া আর দ্বিতীয়টাবাড়ির বাইরের ঘরে আরাম কেদারায় দিবানিদ্রা দেওয়া। ইদানিং ঘুমটা বেড়েছে। উনি নাকি আজকাল ঘুম নিয়ে কিসব রিসার্চ করছেন - সেইজন্যই হয়ত। ঠিক ঘুম নিয়ে রিসার্চ নয়স্বপ্ন নিয়ে রিসার্চ। আর সে কিন্তু দিবাস্বপ্ন নয়একদম আসল স্বপ্ন। সেই যে জানুয়ারি মাসে স্ট্যানফোর্ড থেকে ফিরেছনএই সাত আট মাস আর বিদেশ  যাননি এবছর - তাই হয়তো রিসার্চের কাজের জন্য এবার একটু বেশিই ঘুমোচ্ছেন
এক নাতনি ছাড়া স্বপনবাবুর বিশেষ কেউ নেই। নাতনি বিভাবরী একটা স্কুলের অঙ্কের শিক্ষিকা। স্বপনবাবুই নাতনির ওই গালভরা নামটা  দিয়েছিলেন। ছোটবেলায় বিভু স্লিপ-ওয়াক করত। একদিন মাঝরাতে ওকে হেঁটে  গিয়ে ফ্রিজ খুলে আইসক্রিম বার করতে দেখে স্বপনবাবুর মনে হয়েছিলএটা ঘুমের মধ্যে অসম্ভব। নিজের মনেই বলেছিলেন "জাগরণে  যায় বিভাবরী"। তারপরই নাতনির নাম পাল্টে করে দিলেন বিভাবরীডাকনাম হয়ে গেল বিভু। এখন অবশ্য বিভু আর স্লিপ-ওয়াক করে না। স্বপনবাবুর ট্রিটমেন্টেই সেরে গেছে। খুব সহজ চিকিৎসা - ফ্রিজে আইসক্রিম রাখা বন্ধ করে দিয়েছিলেন তিনি
বিভু তার মা বাবাকে বহুদিন আগেই হারিয়েছে - তাই দাদু আর নাতনিতে গলাগলি ভাব। ইদানিং বিভু আইনস্টাইন এর কি সমস্ত থিওরি নিয়ে পড়াশোনা করছে। দাদুকে সেদিন বোঝাচ্ছিল, সময়কে নাকি টেনে লম্বা করে দেওয়া যায়। স্বপনবাবুর কাছে এসমস্ত আইডিয়া নতুন নয়। এ ধরনের  কঠিন অঙ্ক তিনি অনেক করেছেন।  একটা পেপারে তো সেই কবেই লিখেছিলেন - স্বপ্নের সময় আসলে কমপ্রেসড সময়। উনি প্রমাণ করেছিলেন যে একজন একটা পুরো নব্বই মিনিটের ফুটবল ম্যাচ মাত্র তিন মিনিটের মধ্যে একটা স্বপ্নে দেখে ফেলতে পারে। MIT-  কনফারেন্সে তো রীতিমত হইচই পড়ে গিয়েছিল সেবার। ডক্টর  শুয়েহাসির সঙ্গেও তো সেখান থেকেই বন্ধুত্বের শুরু

তবে স্বপনবাবু জগদবিখ্যাত হলেন সুনিদ্রা-এইট আবিষ্কার করে। সে এক অদ্ভুত  ঘুমের ওষুধ । এক পুরিয়া খেলে একদম চমৎকার আট ঘণ্টার একটা ঘুম। কানের পাশে ঢাক পিটলেও সে ঘুম ভাঙবে না। ভাঙবে ঠিক আট ঘণ্টা পরে। আবার কেউ যদি কুড়িটা পুরিয়াও একসঙ্গে খেয়ে ফেলেতাহলেও সেই আট ঘণ্টার ঘুমসুইসাইড করার কোন উপায়ই  নেই
আর এমন সুন্দর ঘুমের পর শরীর একদম চাঙ্গা। মানুষের কর্মক্ষমতা অন্তত দেড়গুণ হয়ে যাবে। ফলে ফ্যাক্টরিগুলোর প্রডাকশন হবে আকাশচুম্বী।  স্রেফ FDA র অনুমতিটা পেলেই হয়। সুনিদ্রা-এইটের আর একটা সুফল হলএটা খিটখিটে মানুষের মেজাজ নরম করে দিতে পারে। সম্ভবতসেটাও ভাল ঘুম হবার ফল।পাশের বাড়ির জগদীশবাবুর স্ত্রী রোজ সকালে চেঁচাতেন "এই ঘাটের মড়াটা উঠে কতক্ষণে যে বাজার যাবেসারা জীবনটা জ্বালিয়ে মারলে...।" সেদিন ওদের বাড়ি গিয়ে শোনেন জগদীশ গিন্নীর খুব মাথা ধরেছে। স্বপনবাবু ভাবলেন সুনিদ্রা-এইট দিয়ে মাথা ধরার উপকার হয় কিনা দেখা যাক। যে সমস্ত জিনিস দিয়ে তৈরিকোনরকম ক্ষতি তো আর হবে না! একটা বড় টিনে খানিকটা গুঁড়ো ছিল। বিভুর হাতে এক পুরিয়া পাঠিয়ে দিলেন। পরের দিন সকালে শুনতে পেলেন জগদীশ গিন্নীর গলা "হ্যাঁগোআজ আর বাজারে নাই বা গেলেযা গরমটা পড়েছে ...চা কি ঘরেই এনে দেব?" আরো অনেক সুফল আছে সুনিদ্রা-এইটের এবং তার মধ্যে বেশ কয়েকটার জন্যই নোবেল প্রাইজ অনায়াসে দেওয়া যেতে পারে স্বপনবাবুকে। এই সত্যটা স্বপনবাবুর চেয়ে ভাল আর কেউ জানে না
সেদিন রাত্রে স্বপনবাবু একটা স্বপ্ন দেখলেন পোস্টম্যান দরজায় দাঁড়িয়ে আছে হাতে একটা সুন্দর প্যাকেট স্বপনবাবু প্যাকেটটা নিলেন ওপরে ভারী চমৎকার দুটো স্ট্যাম্প লাগানো - সুইডেনের স্ট্যাম্প কিন্তু এরপরই ওনার ঘুমটা ভেঙ্গে গেল সেদিন বিকেলে গঙ্গার ঘাটে বসে কচুরি  খেতে খেতে উনি ব্যাপারটা চিন্তা করছিলেন ওই প্যাকেটটায় কি ছিলইস্ঘুমটা যদি না ভাঙত!

স্বপনবাবু একবার ডক্টর শুয়েহাসির সঙ্গে একটা প্রজেক্ট-এ কাজ করেছিলেন কিয়োটো ইউনিভার্সিটিতে  ওনাদের প্রচেষ্টা ছিল অসমাপ্ত স্বপ্নগুলোকে সম্পূর্ণ করা - অর্থাৎ বাকি স্বপ্নটা পরের ঘুমে দেখে নেওয়া প্রাথমিক সাফল্য ছিল চমকে দেয়ার মতো একের পর এক স্বপ্নে ওনারা একটাই ডায়রিতে লিখে চলেছিলেন আজ হয়ত ঘুমোনোর সময় স্বপ্নে ডায়রিতে একটা অঙ্ক কষতে শুরু করলেন পরশু দিন ঘুমের সময়ডায়রি খুলে সেই অঙ্ক শেষ করলেন  কিন্তু শুয়েহাসির অকালমৃত্যুতে প্রজেক্টটা এখনো অসমাপ্ত  আজও শুয়েহাসির জীবনের শেষ দিনটা চোখের সামনে ভাসে স্বপনবাবুর খুব সম্ভব স্বপ্নের মধ্যেই জলে ডুবে ওনার মৃত্যু হয় আগের স্বপ্নে কাউকে একটা সুইমিং পুলে খাবি খেতে দেখেছিলেন তাই তাড়াতাড়ি আবার ঘুমিয়ে তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করতে গিয়েছিলেন সে ঘুম আর ভাঙ্গে নি মৃত্যুর পরেও তার মুখের হাসিটি কিন্তু অম্লান ছিলো এমন দুঃখের দিনেও হাসতে পারা বোধহয় একজন জাপানির পক্ষেই সম্ভব সাধে কি আর উন্নত জাত বলে!

কাজটা এরপর আর বিশেষ এগোয় নি তার প্রধান কারণ হলো অর্ধেক  নোট রাখছিলেন শুয়েহাসি আর সেই নোট নেবার সময় উনি ঘুমোতেনফলে সেই ডায়রিটা ছিলো ওনার স্বপ্নের মধ্যে স্বপনবাবু বাইরে থেকে ইলেকট্রোডগুলো কন্ট্রোল করতেন  - ঘুমের মধ্যে ঢুকতেন না  
শুয়েহাসির মৃত্যুর পর অনেক পরিশ্রম করেছিলেন স্বপনবাবু  শেষমেষ শুয়েহাসির স্বপ্নের পরের পর্বে প্রবেশও করেছিলেন ডায়রিটাও পাওয়া  গিয়েছিল কিন্তু জাপানি ভাষায় লেখা সেই ডায়রির মাথামুন্ডু  কিছুই বুঝতে পারেন নি স্বপনবাবু স্বপ্নের ভেতর থেকে ডায়রিটাকে বাইরে আনা সম্ভব ছিল না  অন্তত আজকের টেকনোলজি তা অনুমোদন করে নি একটাই উপায় ছিল - কোনো এক দোভাষীকে ওই স্বপ্নের মধ্যে নিয়ে যাওয়া স্ট্যানফোর্ড  ইউনিভার্সিটি তে সেই কাজটাই টেনে চলেছিলেন স্বপনবাবু কিন্তু ওনার মনে হয়েছিলদোভাষী মিস্টার চোতাকারির উদ্দেশ্য তেমন ভালো নয় তাই কাজটা মাঝপথে থামিয়ে দেশে ফিরে এসেছিলেন আজ যদি ওই কাজটা সম্পূর্ণ হয়ে থাকতোসুইডিশ একাডেমির চিঠিটা পড়া তো ছিল নস্যি কিন্তু গতস্য শোচনা নাস্তি
আনন্দের ব্যাপার এই যে, স্বপনবাবু ওই স্বপ্নটা পরের দিন আবার দেখলেন তার দুদিন পর আবার পরের দু সপ্তাহে অন্তত দশদিন উনি হুবহু একই স্বপ্ন দেখলেন কোনদিন একটু বেশিকোনদিন বা একটু কম কিন্তু একদিনও উনি চিঠিটা পড়ে উঠতে পারলেন না সবচেয়ে বেশি যেদিন পেরেছিলেনসেদিন কাগজগুলোর ভাঁজ খুলে প্রথম লাইনটা সবে শুরু করেছিলেন একদম ওপরে একটা লোগো তার নিচে লেখা SVENSKA AKADEMIEN তারপর স্বপনবাবুর নাম আর শেওড়াফুলির ঠিকানা এরপর শুরু:
Dear Professor Saha,
It is our great pleasure to inform you that ঘাটের মড়াটা এখনো পড়ে পড়ে ঘুমুচ্ছে - বাজার যাবার নামটি নেই 
বলাই বাহুল্য শেষের অংশটা সুইডিশ একাডেমির লেখা নয়জগদীশবাবুর স্ত্রীর হুংকার একদম যেন কালোয়াতি গানের সমের মাথায় চাঁটি মেরে ঘুমটা ভাঙ্গিয়ে দিল কেউ কিন্তু কি লেখা ছিল এর পরআপনাকে আমরা এবছরের মেডিকেল সাইন্সের নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছিকিম্বাআপনাকে আমরা নোবেল পুরস্কার কমিটিতে যোগদান করার অনুরোধ করছিনাঃওসব কমিটি ফমিটি দিয়ে চলবে না এলাহাবাদের ডক্টর নীলরতন ধরও তো ছিলেন কমিটিতে মাঝখান  থেকে নিজের নোবেলটাই জুটল না ডক্টর ধরের স্বপনবাবু চান মেডেল।রবীন্দ্রঅমর্ত্যইউনুসঅভিজিতের পর পঞ্চম বাঙালি হিসেবে তিনি চান ওই নোবেল পুরস্কার
ঘুমভালো ঘুম দরকার তাহলেই স্বপ্নটা সম্পূর্ণ হবে আর স্বপ্ন দেখতে যারা জানেতারা স্বপ্ন সফল করতেও পারে  এক পুরিয়া সুনিদ্রা-এইট মেরে দিলেন স্বপনবাবু এরপর চারদিন কোনো স্বপ্ন নেই আগেই বোঝা উচিত ছিল সুনিদ্রা-এইটের কাজই হলো সুনিদ্রা  - স্বপ্নের কোনো স্থান নেই স্বপ্নের  জন্য  খাপছাড়া মার্কা হালকা ঘুম চাই বিকেলের কচুরির পরিমানটা বাড়িয়ে দিলেন স্বপনবাবু সঙ্গে দু ভাঁড় করে চা খেতেও  অভ্যেস করলেন
এর প্রায় এক সপ্তাহ পরের ঘটনা দুপুরবেলা খেয়ে দেয়ে বাইরের ঘরের আরাম কেদারাটাতে ঢুলছিলেন  স্বপনবাবু ঘুম এসে গিয়েছিল সর্ষে ইলিশটা ভালো হওয়ায় খাওয়াটা একটু বেশিই হয়ে গেছিল সেদিন হঠাৎ কলিংবেলটা বেজে উঠলো গিয়ে দরজা খুলে বুঝলেনআবার সেই স্বপ্ন পোস্টম্যান দাঁড়িয়ে  আছে সই করে খামটা নিয়ে ঘরে এলেন খামের একটা দিক  ছিঁড়ে চিঠিটা বার  করে আনলেন ভাঁজ খুলে মেলে ধরলেন সামনে রাস্তায় মনে হয় কোনো অচেনা লোক দেখেছে নেড়ি কুকুরগুলো - একসঙ্গে চেঁচাচ্ছে কিন্তু ঘুম ভাঙ্গা চলবে না চট করে পাশের টেবিলে রাখা বিভুর নতুন হেড ফোনটা কানে চড়িয়ে নিলেন স্বপনবাবু মনে মনে হাসলেন এই প্রথম কেউ হেডফোন ব্যবহার করলো শব্দ থেকে বাঁচার জন্য 
তারপর পড়ে ফেললেন চিঠিটা আগাপাশতলা "বিভু বিভু ...." গলা কাঁপছে ওনার চীৎকার শুনে দোতলার থেকে দৌড়ে এলো বিভাবরী অদ্ভুত  দৃশ্য  খালি গাধুতি পরিহিত স্বপনবাবু কানে পেল্লায়  হেডফোন লাগিয়ে হাতে একটা কাগজ নিয়ে থর থর করে কাঁপছেন। হেডফোনের তারটা ল্যাজের মত ঝুলছে

সন্ধের মধ্যে অজস্র লোকের ভিড় জমে গেল বাড়িতে এমনকি পোনা ময়রার দোকানে যে ছেলেটা কচুরি ভাজেসেও এসে হাজিরসঙ্গে এক ঠোঙ্গা কচুরি  স্বপনবাবু তো বেজায় খুশী ভাবছেনএবার যদি ঘুমটা ভেঙ্গেও যায়কোনো ক্ষতি নেই সমস্ত টেনশন শেষ একটা স্বপ্নের মতো স্বপ্ন দেখা গেল বটে মানুষের স্বপ্ন এরকমই হওয়া উচিত
দুঃখের ব্যাপারস্বপনবাবুর স্বপ্নটা একটু দীর্ঘমেয়াদী হয়ে গেল ঘুম আর ভাঙ্গে না স্বপ্নের মধ্যেই দিনের পর দিন পেরিয়ে যাচ্ছে আসলে হয়ত জেগে থাকলে সেটা কয়েক মিনিটের ব্যাপার ছিল নিজের মনেই বিড়বিড় করেন স্বপনবাবু "Time is highly compressed in dreams"
ঘুম ভাঙ্গানোর চেষ্টাও বিস্তর করলেন নিজেকে সুড়সুড়ি  দিলেনগলায় চিমটি কাটলেনদেয়ালে মাথা ঠুকলেন....কিন্তু কিছুতেই ঘুম ভাঙ্গলো না

অনেকগুলো মাস পেরিয়ে গেছে এখনো স্বপনবাবু গঙ্গার হাওয়া খেতে যানকিন্তু ডাক্তারের পরামর্শে কচুরি  বন্ধ পোনা ময়রার ভারী দুঃখ। হাঁটতে হাঁটতে স্বপনবাবু নিজের মনেই বকবক করেন "ঘুমটা কেন যে ভাঙছে না...একবার ঘুমটা ভাঙলে হয়...." রাস্তাঘাটের লোকজন সবাই স্বপনবাবুকে  খুব শ্রদ্ধা করে এমনকি নৌকোর মাঝিগুলো পর্যন্ত জানে যে উনি হলেন 'নোবেলবাবু' সে এক খুব সম্মানের ব্যাপারঅনেক টাকা প্রাইজ কঠিন কঠিন রবীন্দ্রসঙ্গীত  লিখলে পাওয়া যায় এই  বাবুটি আরো বড় পণ্ডিতসেসব না লিখেই পেয়েছেন মাথাটা কেমন গণ্ডগোল  হয়ে 
গেলতাই তো ওনার নাতনি গিয়ে মেডেলটা এনেছিল সেই কোন একটা দেশ থেকে আনন্দবাজারে ছবিও  বেরিয়েছিল - একদম প্রথম পাতায় 
অবশ্য ওনার রোগটা যে ঠিক কিআজ অবধি কেউ জানে না কোনো এক বিশেষজ্ঞ বলেছিলেনএই রোগের নাম Entangled Neuron Desease বা END. খুব বেশী প্যাঁচালো  অঙ্ক কষলে হতে পারে বেশি কচুরি  খেলে রোগটা আরো জটিল আকার ধারণ করে তখন ব্রেনের জট একদিকে খুললে অন্যদিকে আরো গেরো পাকিয়ে যায়
যাই হোকচিকিৎসা চলছে END এর শেষ দেখার জন্য বিশ্বের বিজ্ঞানীকুল এবং পোনা ময়রা আকুল হয়ে অপেক্ষা করছে



1 comment:

রাজনীতির ধাক্কা

রাজনীতি নিয়ে    আমার জ্ঞান ছিল খুবই সামান্য।    এবং আজ যে সেটা কিছু মাত্র বেড়েছে সে দাবি আমি করি না।ছাত্র-ছাত্রীদের রাজনৈতিক চেতনা থাকা ভা...